একদিন লালবাগে

লেখাঃ চরন্তি ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে মার্চ, ২০২৩

একদিন আমি আমার ভাইবোনদের সঙ্গে গেলাম লালবাগ কেল্লায় বেড়াতে। আমরা একটা জায়গায় মাদুর পেতে বসলাম গল্প করতে। 

গল্পটা ছিল লালবাগ কেল্লার কথা বলা। মোগল শাসকেরা আমাদের এই ঢাকাতে এসেছিলেন নদীপথে; এই দেশে তাদের আসার আগে ঢাকা ছিল জঙ্গলে ভরা!

তখন তারা প্রথমে এই বনজঙ্গল পরিষ্কার করে; তারপর তারা একে একে নিজেদের এবং এখানকার মানুষের জন্য রাস্তা, মসজিদ, প্রাসাদ, দুর্গ তৈরি করল।

১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দে শাহজাদা আজম শাহ ঢাকায় আসলেন। আসার পর তিনি লালবাগ কেল্লা বানাতে শুরু করলেন। কিন্তু দুই বছর পর তাঁকে আবার দিল্লীতে ডেকে নেওয়া হল।

তারপর কাজ এগিয়ে নিতে থাকলেন তাঁর মন্ত্রী শায়েস্তা খান। কিন্তু শায়েস্তা খানের সবচেয়ে আদরের মেয়ে পরিবিবি মারা গেলে তিনিও কাজ বন্ধ করে দিলেন। 

 আর তাঁর আদরের মেয়ে পরিবিবির সমাধি বানালেন এখানেই।

একদিন লালবাগে
Caption
একদিন লালবাগে
Caption

এই লালবাগ কেল্লায় আছে নানা ধরনের বাড়ি। যেমন মসজিদ, হাম্মামখানা, দেওয়ানিআম। আরো আছে রহস্যময় সুরঙ্গ! 

শত্রুর আক্রমণ থেকে বাঁচার জন্যই এই সুরঙ্গপথ ব্যবহার করা হতো।

মোগলরা বাগান অনেক পছন্দ করত। তারা সব জায়গায় বাগান বানাতো। লালবাগ কেল্লাতেও এমন কয়েকটি বাগান আছে।

মনে করা হয় এখনও লালবাগ কেল্লার মাটির নিচে অনেক নিদর্শন লুকিয়ে আছে।

একদিন লালবাগে
Caption
একদিন লালবাগে
Caption

আরেকটা কথা বলতে ভুলেই গেলাম, লালবাগ কেল্লার আরেক নাম আওরঙ্গবাদ কেল্লা। এটা আমাদের দেশের একমাত্র প্রাসাদ-দুর্গ।

আমার এই দিন অনেক ভালো লেগেছে। এই ৪০০ বছর আগের দুর্গ ঘুরে এসে আমার মনে হলো আমিও সেই সময়ে চলে গিয়েছি!